রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কৃষক মো. আব্দুল বারী। তিন বিঘা জমিতে চাষ করেন। বছরে আয় দুই-আড়াই লাখ টাকা। তিন সন্তানের পড়ার খরচ, সংসারের খরচ বাদ দিয়ে হাতে থাকে সামান্য। তিনি বললেন, লেখাপড়া জানি না, কৃষি ছাড়া অন্য কাজ জানি না।
আব্দুল বারী একা নন। রাজশাহী অঞ্চলের অধিকাংশ কৃষকের অবস্থা প্রায় একই। কৃষিকাজ ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে চান, কিন্তু সুযোগ পান না। তাদের সন্তানরা আর কৃষিকে পেশা হিসেবে নিতে চান না।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই চক্র ভাঙার উপায় কী? কৃষি লাভজনক করতে হবে। কৃষকদের আয় বাড়াতে হবে। সরকারি নীতি সহায়ক হলেও বাস্তবায়নে ত্রুটি আছে।