কৃষি নির্ভর জীবিকার উন্নয়নে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে। কৃষি সমবায় ও সংগঠনের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বেড়েছে। বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কৃষি খাতের ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।
গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ বছরে কৃষি নির্ভর এলাকায় দারিদ্র্যের হার ৫% কমেছে। কৃষকদের গড় আয় বেড়েছে ৩০%। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে রাস্তাঘাট, বিদ্যুতায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে।
কৃষক সমবায় ও সংগঠন কৃষকদের একত্রিত করেছে। সমবায়ের মাধ্যমে কৃষকরা যৌথভাবে বীজ, সার ও যন্ত্রপাতি কিনছেন। পণ্য বিক্রি করছেন একসঙ্গে। এতে খরচ কমেছে ও দাম ভালো পাচ্ছেন।
শুধু ফসল উৎপাদন নয়, হাঁস-মুরগি পালন, মাছ চাষ, সবজি বাগান, নার্সারি ব্যবসা, মৌ চাষ, পাটের তৈরি পণ্য, হস্তশিল্পসহ নানা উপায়ে কৃষকরা আয় করছেন। বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কৃষি নির্ভর জীবিকার উন্নয়নে কৃষকদের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার সুযোগ প্রসারিত হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে।




